
ভোলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের জেলেদের পূনঃবাসনের “চাল নিয়ে চালবাজী”র অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলেদের পূনর্বাসনের প্রথম ধাপে ২, ৪, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের চাল বিতরণে ৪০ কেজির জায়গায় ১৩ থেকে ১৫ কেজি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ২নং পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাছনাইন আহমেদ হাছান মিয়ার বিরুদ্ধে। চাল কম দেয়ায় জেলেরা চাল না নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তারা এ অনিয়মের বিচার দাবি করে চাল না নিয়ে চলে যান।
জেলে আব্দুল হালিম মিয়া বলেন, সরকার মেঘনা-তেঁতুলিয়ায় দুই মাস সবধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এই দুই মাস জেলেদের পুর্নবাসনের জন্য চার ধাপে ৪০ কেজি করে চাল বরাদ্ধ করা হয়। প্রথম ধাপে প্রত্যেক জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা। কিন্তু আমরা চাল আনতে ইউনিয়ন পরিষদে গেলে ইউপি সচিব ও টেক অফিসারের নেতৃত্বে আমাদের ৪০ কেজির যায়গায় ১৩ থেকে ১৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়। কেনো চাল কম দেওয়া হচ্ছে এ কথা জিজ্ঞেস করলে ইউপি সচিব আমাদের বলেন চেয়াররম্যান সাহেব এভাবে চাল বিতরণ করতে বলেছেন। পরে আমরা চাল ফিরিয়ে দিয়ে এ অনিয়মের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করি। জেলেরা বলেন আমাদের নামে সরকার যে বরাদ্ধ দিচ্ছে সেগুলো যাতে আমরা ঠিকমত পাই সে জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাছনাইন আহমেদ হাছান মিয়া বলেন, আমার ইউনিয়নে ৩৭’শ জেলে রয়েছে। এবার ১৬শথ জেলের জন্য ৪০ কেজি করে ৬৪ মেঃ টন চাল বরাদ্ধ পেয়েছি। বাকিদেরকে সমন্বয় করার জন্য চাল বিতরণে হয়তো একটু উনিশ বিশ হতে পারে। এ বিষয়টি ইউএনও মহোদয় জানে।
ডিসি মো. মাছুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, জেলেদের বরাদ্ধকৃত পুনর্বাসনের চাল বিতরণের অনিয়মের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো। চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল