প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ৫, ২০২৬, ১০:৪৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১০, ২০১৯, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
ভোলায় কোস্টগার্ডের সোর্স জিয়া ও জুয়েলের বিরুদ্ধে চাদাঁর অভিযোগ

মনজু ইসলাম :
ভোলার গণমানুষের নেতা সাবেক সফল বানিজ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি ভোলার মৎস সম্পদ সংরক্ষনে মৎস অধিদপ্তরকে রেনু মাছ নিধন না করার জন্য প্রতিটি গ্রামে পাড়া মহল্লায় সচেতনতা শত ভাগ বাস্তবায়নের ঘোষনা দিয়েছেন এবং সাবেক এই বানিজ্যমন্ত্রী'র ঘোষনা অনুযারী চলমান রয়েছে সকল নদ নদী ও খালে অবৈধ বেহুন্দি,মশারি,খুটা,ওটাংগি জাল দিয়ে কোন প্রকারের মাছের রেনু যেন ধ্বংশ না হয়। আর এই নির্দেশনাকে বৃদ্বাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় কিছু প্রতারকচক্ররা ধ্বংশ করে চালিয়ে জাচ্চে অবাধ বানিজ্য। স্থানিয় বেহুন্দি জেলেরা জানান কোস্ট গার্ডের মাঝি জিয়া জুয়েল আমাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে নেন বেহুন্দি জাল বাইতে দেওয়ার নামে।আমরা তাদের টাকা দিয়ে জালবাই এর মধ্যে নদীতে মাছ ছিলোনা আমরা লোকসানে ছিলাম। গত দু তিন দিন ধরে মাছ ভালো বলে হঠাৎ সন্দ্যায় জিয়া ওজুয়েল মাঝি আমাদের ডেকে বলে কোস্টগার্ডের নির্দেশ তোমরা জাল বাইতে পারবানা আমরা জানতে চাইলাম কেন বাইতে পারবোনা আমরা প্রতিমাসে আপনাদের মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে জনপ্রতি তিনহাজার টাকাকরে দিয়ে আসছি তখন নদীতে মাছ পাইনি এখন মাছ পাবার সময় একথা বলেন কেনো তাহলে আপনারা স্যারদের টাকা দেননি। পরে জিয়া ও জুয়েল মাঝি বলেন তবে কোস্টগার্ডের জন্য আজই বিশহাজার টাকা দেয়া লাগবে, যদি দিতে পারো আধা ঘন্টার মধ্যে আমাকে বলবা অন্যথায় জাল ধরলে আমাকে দোষতে পারবানা। নদীতে এখন মাছ পরে বলে তৎক্ষনাত আমরা তাদেরকে ১০ হাজার টাকা দেই। কিন্তু তারাই আবার সকালে কোস্টগার্ড নিয়ে আসে। সরেজমিন ভেদুরিয়া ইউনিয়নে দেখাযায় ভোলার ভেদুরিয়ার মাছ ব্যবসায়ীরা জানান আমরা প্রতিদিন ২০০০ টাকা করে কোস্ট গার্ড এর মাঝি জিয়ারে দিয়ে থাকি কিন্তু একদিন দিতে দেরি হওয়ার কারণে আমাদের মাছ আটক করে নিয়ে অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেয় স্থানীয়রা জানান, ভোলার গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি আমাদের মৎস সম্পদ সংরক্ষনের কথা বিবেচনা করে মৎস কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ডকে আজকের রেনু আগামীর মৎস সম্পদে পরিনত করার ব্যবস্থা করলে ও আজ আমরা জিম্মি হয়ে আছি জিয়া ও জুয়েল, ইউসুপের কাছে, সবার প্রশ্ন কে এই জুয়েল, ইউসুপ কোথায় তাদের ক্ষমতার উৎস? কিভাবে তারা বাংলাদেশ সরকারের একটি সুনাম ধন্য বাহিনী ( কোস্টগার্ড) এর নাম বিক্রি করে জেলেদের অবৈধ উৎসবে মৎস রেনু নিধনের উৎসাহ দিয়ে ধ্বংশ করেন মৎস সম্পদ। অভিযুক্ত জিয়া সাথে ফোনে কল দিলে সে কল রিসিভ করেন নাই। এদিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিন জোন কমান্ডার ফোনে জানান কোস্টগার্ডের নাম করে কোন মাঝি যদি কোন জেলেদের কাছ থেকে চাঁদার জন্য যায় মাঝিদের কে তাৎক্ষণিক বেঁধে রেখে আমাদেরকে ফোন দিবে তিনি আরো জানান আমার কাছে কোস্ট গার্ড এর মাঝি পরিচয় দিয়ে জিয়া নামে এক ব্যক্তি জেলেদের কাছ থেকে চাদা আদায় করছে বলে যানান অভিযোগ করেছেন জেলেরা আমরা তদন্ত করে এই ধরনের মাঝিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল
Copyright © 2026 জনতার বাণী. All rights reserved.