
আহত স্ত্রী মুক্তা বেগম ভোলা সদর হাসপাতালের মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সজ্জায় হাসপাতাল বেডে কাতরাচ্ছে। মুক্তাকে বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ সুপারকে বিষয়টি অবগত করলে নরপিসাস সাকিল ও তার বাবাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন ভোলা থানার পুলিশ। মুক্তার বাবা কান্না জরিত কন্টে প্রতিবেদক কে জানান, বিয়ের সময় জামাই কে নগদ দেড় লক্ষ টাকা ফানির্চার এর জন্য নগদ দিয়েছি। টাকার কথা স্বীকার করে নরপিসাস পাষান্ড স্বামী নামে কলংক সাকিল বলেন, আমি থাপ্পর মেরেছি কিন্তু ঐ থাপ্পরে যে ওর চোখে লেখে ওর চোখ ফুলে যাবে তা আমি ভাবিনী। ভোলা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মাদক কারবারিদের আতংক অসহায়দের অতি আপজন মোক্তার হোসেন পিপিএম জানান, আমি বিষয়টি শুনার সাথে সাথে ভোলা থানার ওসি ডিবিকে নির্দেশ দিয়েছে। এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য ভোলা সদর মডেল ওসি আমার নির্দেশক্রমেই ২০ মিনিটের মধ্যেই অভিযুক্ত সাকিল ও তার বাবা কে তাদের দোকান থেকে তাদের বাবা ছেলেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। ওসি ছগির মিয়া বলেন, নরপিসাস সাকিলকে ভোলা মুড়ি পট্রি তার দোকান থেকে আমি তৎক্ষণিক ভাবে পুলিশ পাঠিয়ে গ্রেফতার করেছি ওর বাবাসহ ওকে। আমি আসামিদের নামে নারি ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি । এই নেককার ঘটনাটি শুনে ভোলার সচেতন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ভোলা জেলা আঃলীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক, ভোলা চেম্বার অফ কর্মাসের পরিচালক অসহায়দের আপজন মোঃ সফিকুল ইসলাম খবর শুনার সাথে সাথে ভোলা সদর হাসপাতালে ছুটে চলে যান। তবে এই বিষয়ে সফিকুল ইসলাম প্রতিবেদকে জানান এধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে মাদকের চেয়ে ও ভয়াবহ আকার ধারন করবে এই সমাজে। তবে সাকিল ও তার বাবাকে গ্রেফতার করায় ভোলর সুযোগ্য পুলিশ সুপার অপরাধিদের আতংক অসহায়দের আপনজন মোকক্তার হোসেন পিপিএম ও সদর ওসি ছগির মিয়াকে অভিনন্দন জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল