ব্রেকিংঃ

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার পশ্চিম ইলিশার জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস

এম রহমান রুবেলঃ

ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয়, চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন স্থানীয় একটি স্বার্থনিশি রাজনিতি মহলেরর দ্ধারা প্রতিহিংসার স্বীকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার পরিষদের ৯ ওয়াডের ইউপি সদস্যরা।

গত ০৫/১২/২০১৯ ইং তারিখ চেয়ারম্যানের বাসার কাজের মহিলা ফারভিন (৫০) ও স্থানীয় চেয়ারম্যান গিয়াসের নিয়ে যে পত্র পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ফেইজবুকে একটি নিউজের পাতা সৃস্টি হয়।

সেই কাজের মহিলা ও চেয়ারম্যানকে নিয়ে যে ধুম্রজাল সৃস্টি হয় তা একটি স্থানীয় স্বার্থনিশি রাজনিতি মহলের ধারাই সম্ভব হয়েছে বলে জানান
ভুক্তভোগি ফারভিনের ভাই আব্বাস উদ্দিন।

আব্বাস জানান আমার বোনের বিয়ে হয় ধনিয়া ইউনিয়নে সেখানে তার স্বামীর সাথে ঠিকমত সংসার না করতে পারায় সেই এলাকার চেয়ারম্যান কতৃক অনেক বার বিচারে সমজোতা না হওয়ায় আমার বোনকে ডির্ভোস দেয় তার স্বামী।
আমার বোন ফারভিন সে অসুস্থ্য সে কখন কি কথা বলে সেই নিজে ও জানে না।
আমার বোন তার স্বামীর বাসা থেকে ই অসুস্থ্য তাই আমি কাউকে ধোষারুপ করতে চাই না আর চেয়ারম্যান তো প্রশ্নেই উঠে না। কোথায় আমার বোন আর কোথায় চেয়ারম্যান তার কাছে কি সুন্দরী মেয়ের অভাব আছে যে একটি বয়স্ক পাগল মহিলার সাথে এমন কাজ করবে তাদের পরিবারের একটা ঐতিহ্য আছে তার বাবা অনেক বার এই এলাকার চেয়ারম্যান ছিলেন তাই তিনি ও এখন চেয়ারম্যান।
চেয়ারম্যান মহোদয়ের সু নাম দেখে একটি স্বার্থনিশি রাজনিতি মহল তাদের রাজনিতি হাসিল করার জন্য আমার অসুস্থ্য বোনকে দিয়ে একটি নাটক সাজিয়ে তাদের স্বার্থ হাছিলের কৌশল তৈরি করেছেন তবে এটা সফল হবেন না কারন ভালো মানুষের নামে বদনাম করলে আল্লাহ ও বরদাস করবে না।
তিনি আরো বলেন, আমরা গরিব বলে আমার বড় বোন ইয়াসমিন কে টাকার প্রলোভন দেখি চেয়ারম্যাসমনের মান সর্মান নস্ট করার জন্য একটি স্বার্থনিশি মহল তাদের স্বার্থ হাছিলে পায়তারা কেরছে বলে জানান ভুক্তভোগি ফারভিনের ভাই আব্বাস।

ভুক্তভোগি ফারভিন বেগম (৫০) এর সাথে কথা বলতে তার বাসা পশ্চিম ইলিশা ৫ নং ওয়াডে গেলে তার সাথে কথা বলতে না দিয়ে তার বোন ইয়াসমিন বেগম জানান, আমার বোন চেয়ারম্যানের বাসায় কাজ করতো এখন কাজ করে না আমার বোন মা হতে চলছে।
তিনি বলেন, আমার বোনের দায়িত্ব নিবে কে।
ভুক্তভোগি ফারভিন প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে গেলে ফারভিনের মুখটি হাত দিয়ে বন্ধ করে রাখে ইয়াসমিন তখন ফারবিনকে আর কোন কথা বলতে দেন তার বোন ইয়াসমিন বেগম।
প্রতিবেদক ইয়াসমিন কে বলেন, আপনার বোনের সাথে কথা বলতে চাই। ভুক্তভোগির বোন ইয়াসমিন জানান আমার বোন অসুস্থ্য হওয়ায় কখন কোন কথা বলে আমি নিজে ও জানি না তাই আপনাদের সাথে কথা বলতে দিবো না।

এব্যাপরে স্থানীয় বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক বশির চেয়ারম্যানের পুত্র গিয়াস এর সাথে কথা বললে তিনি প্রতিবেদকে জানান, এই মহিলা তিন সন্তানের জননী তার স্বামী তারে মারতো সে নাকি পাগল আমার কাছে তার ভাই আব্বাস তার শ্বশুর বাড়ির বিচার নিয়ে আসলে আমি ধনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কে বিষয়টি দেখার জন্য বলি অবশেষে চেয়ারম্যান কোন সমজোতা করতে না পেরে তিনি নিজেই নীরব ভুমিকায় থাকেন। তার পর একদিন শুনি ফারভিনের স্বামি ফারভিন কে তালাক দিয়েছে। ফারভিনের ভাই আব্বাস আমাকে বলে ভাই আমার বোনকে তার স্বামি তালাক দিয়েছে এখন আমরা কি করবো তার যে তিন সন্তান আছে তাদের খাওয়াবে আর পড়াবে কে তখন সে আমাকে অনুরোধ করে ভাইয়া বশির চেয়ারম্যান তো অসুস্থ্য অনাকে একটু সেবা যত্ন করবে আপনি যা পারেন একটি হেল্প কইরেন তখন থেকে ফারভিন একটু আকটু কাজ করতো। একদিন করতো আবার আরেকদিন করতো না। এভাবে তিনি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা কাজ করতো আর রাত্রিযাপন করতো অন্য জায়গায়।

আমি ও আমার স্ত্রী কে নিয়ে ওমরা শেষ করে বাড়িতে আসলে গত ০৫/১২/২০১৯ ইং তারিখে পাগল ফারভিন ও আমার সম্পর্কে স্থানীয় একটি স্বার্থনিশি মহল একটি কু রটনা রটাইছে।
এটি আমি শুনে অবাক কারন আমি তো দেশে ই ছিলাম না। আমি একবার হজ্ব করেছি আবার ওমরা করেছি এবং প্রায় সময় আল্লাহর সন্তুটির জন্য তাবলীগে তাবলীগে কাজ করি এর মধ্যই এই শুনি।
চেয়ারম্যান বলেন, যার ক্ষতি যে করে তার ক্ষতি আল্লাহ করবর ইনশাল্লাহ।
তিনি প্রতিবেদকে আরো জানান, আমি রাজনিতি করি আমি একটি আওয়ামি রাজনিতি পরিবারের লোক আমার বাবা আঃলীগ করে এবং আমার বাবা এই এলাকার বহুবার চেয়ারম্যান ছিলেন, তাই আমার বাবার প্রতি সন্তুটি হয়ে জননেতা ৬৯ এর মহানায়ক সাবেক সফল শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি ও ভোলা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেব সিনিয়র আঃলীগ নেতৃবৃন্দরা আমাকে নমিনেশন দেয় এতে এই এলিকার একটি স্বার্থনিশি মহল আসাকে সেই হইতে হেয় পর্ন করার জন্য তাদের রাজনিতির স্বার্থ হাছিলের জন্য গত ০৫/১২/২০১৯ ই ং তারিখ একটি পাগল মহিলা দ্বারা আমার নামে মিথ্যা ভাবে ঐ অসহায় পরিবারটিকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগি ফারভিনের বোন দ্বারা আমার ইজ্জ্বত মারার জন্য কাজ করছে।
তিনি বলেন মান সম্মান ইজ্জ্ব সকল কিছুর মালিক আল্লাহপাক।
চেয়ারম্যান গিয়াসের ভাই ইব্রাহিম জানান, আমার ভাইর দোষ হলো একটা তিনি সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলেন এবং সবার সাথে মিশেন, আপদ বিপদে ছুটে দৌড়ে চলে যান তাদের পাশে।
আমার ভাইর এই জনপ্রিয়তা দেখে বিপক্ষ দল আগামিতে আমার ভাই নমিনেশন পাবেন তাই তাকে হতে দিবেন না বলেই এই ষরযন্ত্রের বেড়া জ্বালে ফেলানোর চেস্টা করছে ইনশাল্লাহ এই কিচক্রটি সফল হবে না।