নুরউদ্দিন আল মাসুদঃ
ভোলা জেলার, সদর উপজেলার, পৌরসভা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ভদ্রপাড়া এলাকার মেয়ে খাদিজা আক্তার লাইজুর(২৬) ২০১৩ সালে প্রেমের মাধ্যমে পালিয়ে বিয়ে করে দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মোঃহান্নানকে।এ বিয়েতে লাইজু আক্তারের পরিবারের মত না থাকায় তারা প্রথমে মেনে নিতে পারেনি।পরে স্বামী মোঃ হান্নান তাকে নিয়ে ঢাকা শহরের মিরপুর ২ এ অবস্হান করে। ৬ মাস সেখানে থাকার পর দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বামী মোঃ হান্নান।সেখানে ও ঠাই হয়নি খাদিজা আক্তার লিজার।অবশেষে নিজের বাড়িতেই থাকতে হয়েছে ৬ বছর ধরে।এরই মধ্য বিবাহের দুই বছর পরে সেই ঘরে জন্ম নিয়েছে একটি পুত্র সন্তান মোঃ হামিদ।ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস জন্মের ১ বছর পরেই মোঃ হামিদ মারা যায়। এদিকে স্বামী হান্নান চাকরি করে ঢাকা শহরে গ্রীন লাইন কম্পানিতে।চাকরি করার পাশাপাশি সে সম্পর্ক সৃষ্টি করে তার এক সহকর্মীর সাথে।বিষয়টি খাদিজা আক্তার লাইজু জানতে পারলে প্রতিবাদ করাতে স্বামী হান্নান
লাইজু আক্তারের নিজ বাড়িতে এক মাস পূর্বে তাকে গুরুতর আহত করে।অতঃপর তাকে ২৪/০১/২০২০ সালে পরিকল্পনা করে মিরপুর ২ এ হান্নানের চাচার বাড়িতে নিয়ে যায়। লাইজু আক্তারের ছোট ভাই মোঃ ইমন জনতার বাণী ডট কম কে জানান " গতকাল ০৪/০২/২০২০ দুপুর ২:০০ টার দিকে আমি (ইমন) আমার বোনের সাথে কথা বলি।বিকেল ৫ টায় আমি আবার ফোন করলে আমার বোনের ফোন বন্ধ পাই।বার বার চেষ্টা করার পরও আমরা তার সাথে যোগাযোগ করতে ব্যার্থ হই।অবশেষে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে একটি অজ্ঞাত ফোন নাম্বার থেকে আমাদের জানায় যে লাইজু আক্তার গলায় ফাসি দিয়েছে। ইমন জনতার বাণী কে আরো জানান " আমার বোনের মৃত্যু গলায় ফাঁসিতে নয় এটি একটি পরিকল্পিত খুন।হান্নান আমার বোনকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে তাকে বাড়ি থেকে ঢাকা নিয়ে গিয়েছে।নতুন সম্পর্ক গড়া সহকর্মীকে বিয়ে করার জন্য লাইজু আক্তারকে স্বামী হান্নান আঘাত করে মেরে ফেলেছেন এমনটাই জানিয়েছেন ইমন আহম্মেদ।আসছে বিস্তারিত......পরের পর্বে
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল