স্টাফ রিপোটারঃ
ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুরের রৌদের হাট বাজারের পাশে মাঝি বাড়ির পন্ডিতের ঘর থেকে মেয়ে খাদিজা (১৩) ছেলে সোহাগ (২০) কে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে স্থানীয় জনতারা আটকিয়ে রেখে সাংবাদিক পুলিশ খবর দিলে পুলিশ ঘটনা স্থল থেকে দুইজন কে আটক করে ভোলা থানায় নিয়ে আসেন।
আপত্তিকর অবস্থায় ছেলে- মেয়ে জনতার হাতে আটক হলে পুলিশে না দিতে সেনা সদস্য ফারভেজ রনীর বাধা।
গত১২/০২/২০ ইং তারিখ রাত আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে স্থানীয় জনতারা দুইজনকে ধরে পন্ডিতর ঘরে আটকিয়ে রাখে একজন সেনাবাহিনীতে চাকরিরত সৈনিক তিনি ছেলে মেয়ে কে আটকিয়ে রেখে সাংবাদিক দের চাপ সৃস্টি করে তাদের কে তার চাকরির ভয় দেখিয়ে ও সাংবাদিক ভাইদের চাপ সৃস্টি করে বিয়ে না পড়ালে তিনি সেখান থেকে সাংবাদিকদের আসতে দিবেনা লোকজন দিয়ে বেড়িকেট দেন। পরে সাংবাদিক কোন দিশে না পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে সেই পন্ডিত এর বাড়ি থেকে মেয়ে ছেলেকে উদ্ধার করে পুলিশ নিয়ে আসে থানায়।
সেনা সদস্য ফারভেজ রনী বেপড়ুয়া ও তার মাস্তানী ভাব এলাকার জনগনকে আতংকিত করে তুলছিল। স্থানীরা নাম প্রকাশ্য অনিশ্চুক তারা জানান, সেনা সদস্য ফারভেজ সব সময় তিনি এলাকায় ছুটিতে আসলে তার চাকরির ক্ষমতা দেখায় আমারা তার ক্ষমতার কাছে নীরুপায় কি করবো জানি না কার কাছে বিচার দিলে সেনা সদস্য ফারভেজের ক্ষমতা কমানো যাবে গেলে হয়তো আমরা এলাকাবাসি তাই করতাম। মাঝি বাড়ির পন্ডিত জানান গত রাতে আমার বাসায় এই সেনা সদস্য ফারভেজ এসে আমাদের সাথে যে অকথ্য ভাষায় খারাপ আচরন করছে তা সাংবাদিক ভাইরা দেখছে। আমরা তার ব্যাবহারে অতিষ্ট হয়ে উঠছি আর সাংবাদিকদের সাথে ও খুব খারাপ আচারন করছে জনতার সম্মুখে এলাকাবাসি তা দেখছে ফারভেজের ক্ষমতা।
তিনি, সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ খবর দিলে আপনার খবর করে দিব এখান থেকে যেতে পারবেন বিয়ে পড়িয়ে যাবেন। সাংবাদিকরা পুলিশ খবর দিলে আরো উত্তেজিত হয় এই সেনা বাহিনীর সৈনিক ফারভেজ।
সেনা সদস্য বলেন, বিয়ে পরাবেন। সাংবাদিকরা বলেন, বিয়ে পড়ানো আমাদের দায়িত্ব নয় কারন তারা খালাতো ভাই বোন আর অপ্রাপ্ত বয়স্ক আইনের কাছে হস্তান্তর করতে হবে আইন যা করবে সেটা আইনের ব্যাপার এবং মেয়ের বয়য় ১৪ আর ছেলের বয়ষ ২২ এটা আমাদের কাজ নয় আদালতের ব্যাপার আর পুলিশের। সাংবাদিক বলেন, আমরা পুলিশ খবর দিয়েছি তারা এসে ব্যাবস্তা নিবেন।
ভোলা থানার ওসি জানান সাংবাদিক ফোন করলে আমি ইলিশা ফাড়ির ইনচার্জ রতন কে দায়িত্ব দিলে রতন তার কাজে সার্কেল এসপি অফিসে থাকায় তিনি গিয়ে এএসআই সুজনকে পাটালে সে তার ফোর্সদের নিয়ে ঘটনা স্থল থেকে মেয়ে ছেলে কে উদ্ধার করে এবং মেয়ে ছেলে অপ্রাপ্ত হওয়ায় তাদের তার স্বজনদের জিম্বায় বুজিয়ে দেই তারা পারিবারিক ভাবে বসে বিষয়টা সমাধান দিবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল