এম জামিল হোসেন।।
ভোলার রাজাপুর ইউনিয়নের রামদাসপুরের ১ নং ওয়াডে ইউসুফ স্ত্রী মারজান বেগম কে রাতে আপত্তিকর অবস্থায় নিজ ঘরে দেখে শাবু কে জিজ্ঞাসা করলে শাবু চিৎকার করে তার ভাইদের ডেকে এনে শাবু সহ তার ভাই ইকবালকে নিয়ে এলোপাথারি গাবের লাঠি দিয়ে মেরে রক্তাক্ত করে মাঠিতে লুটিয়ে ফেলে দেয়।
পরে স্থানীয়রা মারজানের স্বামী ইউসুফকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তার পরেরদিন সকালে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান ।
মারজানার স্বামি ইউসুফ জানান, আমরা নদী ভাঙ্গা পরিবার আমার কোন জমি না থাকায় আমি শাহাবউদ্দিন ভাইর জমিতে এসে বাড়ি করে থাকার অনুমতি দিয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায় আমি আমার স্ত্রী মারজান ও দুই সন্তান সহ বসবাস করে আসছি।
এরই সুযোগে সাহাবুদ্দিন আমার স্ত্রীকে আমাদের দরিদ্রতার সুযোগে টাকার লোভ দেখিয়ে একের পর এক পালাক্রমে ধর্ষন করতে থাকলে গত ১৬/০৬/২০ ইং তারিখে পূর্রের সন্দেহর তীরে আমি ঐ দিন নদীতে যাওয়ার কথা বলে বাসার সামনে বাগানে পালিয়ে থাকি তখন রাত ৩ টা পালিয়ে থাকার ৩০ মিনিট পরে দেখি রামদাসপুরের পরকিয়া প্রেমীক আমার সংসার ভাঙ্গার মুল পরিকল্পলাকারি শাহাবউদ্দিন সাবু আমার ঘরে আমার স্ত্রী মারজানার বুকের উপর।
ধর্ষনের কথা অস্বীকার করেছেন ইউসুফের স্ত্রী মারজান বেগম।
তিনি জানান রাতে শাবু ভাই আমার বাসায় আইছে ঠিক আছে কিন্তু কোন খারাপ কাজ করেনী।
এদিকে রামদাসপুরের দুই ইউপি সদস্য দুলাল ও নিকু জানান, সাবু রাতে মারজানের ঘরে গেছে কিন্তু কোন খারাপ কাজ করেনি।
পরোকিয়া প্রেমীক শাবুর সাথে যোগা যোগ করার চেস্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
মারজানার স্বামী ইউসুফ বলেন, দুই ইউপি সদস্য দুলাল ও নিকু কে জানালে তারা আমাকে উল্ট ধমক দিয়ে আমছে।
ইউসুফ জানান, শাহাবউদ্দিন এলাকায় প্রভাবশালি হওয়ায় তিনি অসহায় পরিবারকে মানুষই মনে করেন না।
তার কারন হলো সাবু অপকর্ম করলে তার সেল্টার দাতা হয়ে দাড়ায় সেখানের দুই ইউপি সদস্য।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিজানির রহমান মিজান জানান, রামদাসপুরটি রাজাপুর থেকে বিছিন্ন হওয়ায় সেখানে ইউপি সদস্যরা অসহায়দের উপর স্টীম রোলার চালাচ্ছে এবং চরটি ভোলার থেকে বিছিন্ন হওয়ায় প্রশাসনের নেই কোন তৎপর।
তাই আমি প্রশাসনের কাছে মাদক সহ নানা অপকর্মের রুখতে সেখানে রীতিমত টহলের জোরদার দাবি জানাচ্ছি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল