ব্রেকিংঃ

ভোলা পৌর ৪ নং ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ, নির্বাচনী অফিস ভাংচুর পুলিশ মোতায়েন আহত-১৫।

স্টাফ রিপোটার।।

ভোলা সদরে আসন্ন পৌর নির্বাচন নিয়ে দুই কাউন্সিলর সমর্থীত প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, নৌকা সমর্থীত প্রার্থীর অফিস ভাঙ্গচুর। মহিলা ও পুরুষ ভোটার সহ আহত ১৫।

সরেজমিনে জানা যায়, ১৬ ফেব্রয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল সোয়া ১০ টার সময় ভোলা সদর পৌর ৪ নং ওয়ার্ড পুলিশ লাইন্স সংলগ্ন এলাকায় উট পাখির সমর্থীত প্রর্থী আসাদ হোসেন জুম্মানের সমর্থকদের নির্বাচনী গণসংযোগে আর্তকিত হামলা করে অপর ডালিম মার্কার কাউন্সিলর প্রার্থী শওকত হোসেন ও তার সমর্থকরা। ডালিমের সমর্থকরা উট পাখির সমর্থকদের ধাওয়া করে তাদের ব্রাক অফিস লগ্ন নৌকার নির্বাচনী অফিস ভাঙ্গচুর করে। এই সময় অফিসে থাকা মহিলা ভোটারদের লাঞ্চিত করেন।

লাঞ্চিত ও ভাঙ্গচুর করে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি। এই ঘটনায় আসাদ হোসেন জুম্মানের সমর্থকরা একত্রিত হয়ে ডালিম সমর্থীত প্রার্থীদের ধাওয়া দিলে ডালিম সমর্থীত লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলটি পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করে দু’পক্ষকে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে। ঘটনা স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।

এই সময় ডালিম সমর্থীত প্রার্থীর সমর্থকরা ২০ থেকে ২৫ টি হাত বোমা চার্জ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। আহতরা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনায় পৌর ৪ নং ওয়ার্ডে সাধারন ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানিয় প্রত্যক্ষদর্শী, মোঃ ফারুক (৫০) বশির আহাম্মেদ (৪৫) মোঃ সাহে আলম (৩৫) মোসাম্মদ সুফিয়া খাতুন (৫০) ও হাজেরা বেগম (৬০) জানান, কোন কারন ছাড়াই কাউন্সিলর প্রার্থী শওকাত ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে আমাদের আহত করেছে। আমরা এই ঘটনায় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের হস্থক্ষেপ কামনা করে আমরা ভোট দেয়ার নিশ্চয়তা চাচ্ছি।

তথ্যসুত্রে জানাযায়, ডালিম কাউন্সিলর প্রার্থী শওকাত হোসেনের স্থানিয় জনসমর্থক কম থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বহিরাগত চিহিৃত সন্ত্রাসী একত্রিত করে ভোট বানচালের জন্য সাধারন ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ও তাদেরকে রাতের অন্ধকারে বাড়ি গিয়ে অস্ত্র প্রদর্শন করছেন। এ নিয়ে স্থানিয় ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারন ভোটারদের মাঝে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

বিষয়টি নিয়ে ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এবং ঘটনার সুত্রধরে আমরা পরবর্তী ব্যাবস্থা নেব। তাছাড়া যে প্রার্থী বা সমর্থকরা সাধারন ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেব।