ব্রেকিংঃ

আলীনগর ইউনিয়ন বাসিকে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান বশির আহমেদ।।

স্টাফ রিপোটার।।

ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন আলীনগর ইউনিয়ন থেকে বার বার নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান বশির আহমেদ।
বুধবার পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আজ তার
দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান তিনি।

বশির আহমেদ বলেন, ‘মহান আল্লাহর নিকট কোরবানি কবুল হওয়ার জন্য শুদ্ধ নিয়ত ও উপার্জন থাকা আবশ্যক।

পাশাপাশি সকলেই সরকার নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দেওয়া ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণসহ পশু ক্রয় থেকে শুরু করে প্রতিটি কার্যক্রম করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে করতে সচেষ্ট থাকবেন বলে আমি আশা রাখি। পবিত্র ঈদুল আযহা সবার জন্য বয়ে আনুক কল্যাণ, সবার মধ্যে জেগে উঠুক ত্যাগের আদর্শ-মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি।’

তিনি বলেন, ‘এ বছর এমন একটা সময়ে ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন মহামারি করোনার ছোবলে বিশ্ববাসী বিপর্যস্ত।
বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অনেক মানুষই মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসব মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন ভোলা সদর আসনের মাননীয় এমপি তোফায়েল আহমেদ মহোদয়ের নির্দেশে আমি করোনাকালিন সময় জনগনকে ঈদ করার জন্য ঈদ বিজিএফ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ হিসেবে নগদ অর্থ বিতরন করেছি।

আমার ইউনিয়নে কোন মানুষ কস্টে থাকবে আর আমি ঈদ করবো তা হয় না তাই কোন মানুষ যেন কস্টে না থাকে ঈদ সুন্দর ভাবে কস্ট করতে পারে সে ব্যাপারে আমি একটি টিম করে দিয়েছি তারা বাড়ি বাড়ি খোজ খবর নিয়ে তাদের বাসায় খাবার পৌছে দিচ্ছে।

করোনা মোকাবেলায় সকলকে সচেতন হতে হবে এবং জীবনযাপনে ও চলাফেরায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নিজে সুস্থ থাকি, অন্যকেও সুস্থ রাখি-এটাই হোক এবারের ঈদুল আজহার সকলের অঙ্গীকার।’

তিনি বলেন, মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। ‘আজহা’ অর্থ কোরবানি বা উৎসর্গ করা। ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অসীম আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে অতুলনীয়।’কোরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়। কোরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে।