ব্রেকিংঃ

ভোলার রুপকার তোফায়েল আহমেদ এমপির পক্ষ থেকে ভেদুরিয়া বাসিকে ঈদ উল আজহার শুভেচ্ছা।।

স্টাফ রিপোটার।।

ভোলার রুপকার বাংলার জীবন্তকিংবদন্তী বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ভোলা সদর আসনের এমপি তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয়ের পক্ষ থেকে ভেদুরিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম মাস্টার।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ
দেওয়া তার এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

চেয়ারম্যান বলেন, ‘মহান আল্লাহর নিকট কোরবানি কবুল হওয়ার জন্য শুদ্ধ নিয়ত ও উপার্জন থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি সকলেই সরকার নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দেওয়া ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণসহ পশু ক্রয় থেকে শুরু করে প্রতিটি কার্যক্রম করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে করতে সচেষ্ট থাকবেন বলে আমি আশা রাখি। পবিত্র ঈদুল আজহা সবার জন্য বয়ে আনুক কল্যাণ, সবার মধ্যে জেগে উঠুক ত্যাগের আদর্শ-মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি।’

তিনি বলেন, ‘এ বছর এমন একটা সময়ে ঈদ উল আযহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন মহামারি করোনার ছোবলে বিশ্ববাসী বিপর্যস্ত।
বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অনেক মানুষই মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এসব মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

আমি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যেগে মাননীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয়ের নির্দেশে এলকার জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
এবং ঈদ উপলক্ষে তারা ভালো ভাবে কাজ করতে পারে সে ব্যাপারে ঈদ ভিজিএফ ও নগদ অর্থ বিতরন করেছি।
এবং কেউ কস্টে খাদ্যের সমস্যায় গোপনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের বাসায় খাদ্য পৌছে দিচ্ছি।
তিনি মাননীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয়ের সর্বদা সুস্থতা ও দীর্ঘ নেক হায়াৎ কামনা করেন ভোলা বাসির কাছে।

করোনা মোকাবেলায় সকলকে সচেতন হতে হবে এবং জীবনযাপনে ও চলাফেরায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। ‘আজহা’ অর্থ কোরবানি বা উৎসর্গ করা। ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অসীম আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে অতুলনীয়।’কোরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়। কোরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে।