ভোলায় করোনার টিকা বঞ্চিতদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি হাসপাতালের ফটক ভাংচুর
স্টাফ রিপোটার।।
ভোলা ২৫০ শর্য্যা হাসাপাতালে করোনার টিকা নিতে এসে ৩-৪ লাইনে দাঁড়িয়েও টিকা নিতে পারেননি জনগন।
২টি বুথের মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষের চাপ নিতে না পারায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
রবিবার সকালে টিকা নিতে আসা এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা হাসপাতালের ভিতরে ফটকের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে।
এসময় বিক্ষুব্ধজনতার হাতাহাতিতে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে থাকা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মী আরিফুর রহমান মিম আহত হয়েছেন।
পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
হাতপাতালে থাকা পুলিশের নায়েক মামুন জানান পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষুব্ধজনতাকে ধরে এনে পরিবেশ শান্ত করে তাদেরকে সরিয়ে দিয়েছেন আমাদের পুলিশ প্রশাসনের লোকজন।
ভোলা সিভিল সার্জন ডা. কেএম শফিকুজ্জামান জানান, দুটি বুথে এত মানুষের চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব ছিল না। তাই
টিকা নিতে আসা বিক্ষুব্ধজনতার চাপে একটি গ্লাস ভেঙে যায়।
তিনি (সোমবার) থেকে আর কোনো ঝামেলা থাকবে ভ্যাকসিন দিতে আসা জনতার।
ভ্যাকসিন দিতে গোরস্থান মাদ্রসার শিক্ষক আবু জাফর জানান একটি বুথ থাকায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে।
কয়েক হাজার টিকা প্রার্থীর চাপে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হয়।
টিকা দিতে এসে লাইনে দাড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ রোদে থেকে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
এক জায়গা দিয়ে নারী -পুরুষ প্রবেশেও অশান্তিকর পরিবেশ দেখা দেয়। এসব নিয়েই এক পর্যায়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

ভোলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নিরুপন কুমার সরকার বলেন, বিক্ষুব্ধজনতা আর স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছে এটা সম্পূর্ন দুঃখজনক। আমি তাদের দুইজনের ভিতর ভুল বুজাবুজির অবশান ঘটিয়ে এনে মিল মিশ করে দিয়েছি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল