স্টাফ রিপোটার।। ভোলার আদালতে পূনঃভোট গণনায় বিজয়ী হওয়ার আনন্দে বিজয় মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে মেম্বারপ্রার্থী আঃ রহমান ও তার সমর্থকগন। মঙ্গলবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ২নং ইলিশা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পরানগঞ্জ বাজারে এই বিজয় মিছিল করেন তারা। এসময় সমর্থকরা বিজয়ী মেম্বারপ্রার্থী আঃ রহমান হাওলাদারকে ফুলের মালা পড়িয়ে দেন।জানা গেছে, গত বছর ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারী ভোলা সদর উপজেলার ২নং ইলিশা ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডে ফুটবল প্রতীক নিয়ে আঃ রহমান হাওলাদার ও ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে জসিম উদ্দিন মজগুনী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যার পরে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজনা পূর্ণ পরিস্থিতি দেখে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার প্রার্থীদেরকে ফলাফলের একটা কাগজ দিয়ে মুখে ঘোষণা না করে ভোট বাক্স নিয়ে নির্বাচন অফিসে চলে যায়। নির্বাচনে ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন মজগুনীকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের ফলাফলে কারচুপি হয়েছে দাবী করে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আঃ রহমান হাওলাদার। তিনি ভোট পুনরায় গণনার দাবি করে ভোলার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা দীর্ঘদিন চলার পর মঙ্গলবার (২০ জুন) আদালতে দু'পক্ষের আইনজীবী ও প্রার্থীদের উপস্থিতিতে ভোট পুনঃগণনা শুরু হয়। ভোট গণনা শেষে দেখা যায় ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আঃ রহমান ৩৩৬ ভোট বেশি পেয়েছেন। ভোট গণনা শেষে আদালত দুই প্রার্থী ও তাদের আইনজীবীদের ভোটের ফলাফল জানিয়ে দেয়। এতে ৩৩৬ ভোট বেশি পাওয়ায় বিজ্ঞ আদালত ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আঃ রহমান হাওলাদারকে বিজয়ী ঘোষণা করে।বিজ্ঞ আদালতের ঘোষণা শুনে আঃ রহমান ও তার সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। সমর্থকরা আদালতের পুনঃভোট গণনায় আঃ রহমান বিজয়ী হওয়ায় তাকে ফুলের মালা পড়িয়ে দেন৷ রাত ৯টায় ৮নং ওয়ার্ডের পরানগঞ্জ বাজারে বিজয় মিছিল করে আঃ রহমান ও তার সমর্থকরা। এসময় তারা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে সমর্থকদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।বিজয়ী আঃ রহমান হাওলাদার বলেন, এ জয় সত্যের জয়, এ জয় জনগণের জয়। আমি বিপুল ভোট পাওয়ার পরেও ভোট কারচুপির মাধ্যমে আমাকে হারানো হয়েছিলো। আমি এই চ্যালেঞ্জ করে ভোট পুনঃগণনার দাবীতে আদালতে মামলা দায়ের করি। মামলা দীর্ঘদিন চলার পর মঙ্গলবার আদালতে ভোট গণনা হয়। সকলের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে দেখা যায় আমি ৩৩৬ ভোট বেশি পেয়েছি। বিজ্ঞ আদালত আমাকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। আমি মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। সত্যের জয় হয়েছে। আমি সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম রহমান রুবেল