ভোলার কৃতি সন্তান ডাঃ রবীন শেবাচিম’র সহযোগী অধ্যাপক চক্ষু পদে পদোন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
দ্বীপজেলা ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কৃতি সন্তান ডাঃ এন.সি.দে রবীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (স্বাস্থ্য) সুপারিশক্রমে সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক (চক্ষু )পদে পদোন্নতি পেয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে যোগদান করেছেন।
ডাঃ এন.সি.দে রবীন ভোলার বোরহানউদ্দিন হাইস্কুল থেকে এস.এস.সি এবং লালমোহনের শাহবাজপুর থেকে এইচ.এস.সি পাস করেন। সিলেট মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে পরবর্তিতে বরিশাল মেডিকেল কলেজে মাইগ্রেশন হয়ে নিয়মিতভাবে এম.বি.বি.এস পাস করেন। জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিষ্টিটিউট হইতে চক্ষু বিষয়ে ও শেরেবাংলা চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ বিশেষ পদকপ্রাপ্ত ডাঃ এন.সি.দে রবীন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাথেও সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তিতে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের সহকারী রেজিষ্টার, রেজিষ্টার, আবাসিক সার্জন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ইউনিট প্রধান হিসেবে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিযুক্ত হয়ে চক্ষু সেবার পাশাপাশি ছানি, নেত্রনালী সহ অন্যান্য দশ সহ¯্রাধিক অপারেশন করেন। তিনি গ্লুকোমার উপরোক্ত সাত-আটটা প্রকাশনা সহ ফেলোশিপ ট্রেনিং সম্পন্ন করেন। চক্ষু বিভাগের জেষ্ঠ্যতম এই চিকিৎসক ইতিপূর্বে মঠবাড়িয়া, ভোলা তজুমদ্দিন, দৌলতখান, বাকেরগঞ্জ, নলছিটি থানাতেও দায়িত্ব পালন কালে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সহিত সম্পৃক্ততার পাশাপাশি অসংখ্য মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, ব্যক্তিগতভাবে তিনি ০২ (দুই) সন্তানের জনক। বরিশালস্থ তিনি দক্ষিন কালিবাড়ি রোডের বাসিন্দা। তার বড় সন্তান ডাঃ অনীক নিলয় দে এবং তার স্ত্রী ডাঃ নীলিমা দাস সবাই বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) স্বাস্থ্যসেবার সাথে নিয়োজিত। প্রতিদিন বরিশাল নগরীর সদরোডস্থ মেঘা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে, প্রতি শুক্রবারে ভোলা এশিয়া ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ও বৃহস্পতিবারে ভোলার স্কয়ার মেডিকেল হাসপাতালে নিয়োমিত রোগী দেখেন ডাঃ এন.সি.দে রবীন।
