ব্রেকিংঃ

ভোলার উত্তর দিঘলদীতে স্বামীর আঘাতে স্ত্রীর সমস্ত শরীর ক্ষত বিক্ষত

এম জামিল হোসেনঃ
ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াডে স্বামীর আঘাতে স্ত্রীর সমস্ত শরীর ক্ষত বিক্ষত ও রক্তে রঞ্জিত হয়েছে।
গত শুক্রুবার ২৪/০১/২০২০ ইং সকাল ১০ টার সময় স্বামী রফিজল ইসলাম ওরফে হেজু হঠাৎ সকালে ঘুম থেকে উঠে তার স্ত্রী ৪ সন্তানের জননী হাসিনা কে বেধর মারধর ও সমস্ত শরীরে কামড় বসিয়ে ক্ষত বিক্ষত করে মাঠিতে ফেলে রেখে দেয়।
ভুক্তভোগি চার সন্তানের জননী হাসিনা বেগম প্রতিবেদক কে জানান, দীর্ঘ ৬ মাস আগে আমার স্বামী আমাকে খুব শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে আসছিল কিন্তু আমি নীরবে নীর্ভাকায় সব সর্য্য করে আসতেছিল। আমি আমার পরিবারের কাউকে কোন দিন কিছু বলিনী কারন আমি সংস্কার করতে এসেছি আমি যেতে আসিনী তাই কাউকে বলিনী। আমার ননদ দাইনি কে তার স্বামি ছেড়ে দেয় এবং তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে ৬ মাস আমার ননদ আমার শ্বশুর বাড়িতে তার সন্তানদের নিয়ে বসবাস করে আসছে।
আমার ননদ আমার শ্বশুর বাড়িতে আসার পর থেকে আমার উপর বিভিন্নভাবে আমার ননদ ও তার মেয়েকে দিয়ে নির্যাতন করতে থাকে এবং তার ভাই আমার স্বামী হেজু তার শ্বশুর বাড়ির থেকে বাসায় আসার পর থেকে হেজুকে বিভিন্ন সময় কু পরামর্শ দিয়ে আসে তাই তারই ধারাবাহিকতায় আমার স্বামি আমার কাছ থেকে ব্যাবসার জন্য টাকা পয়সা দাবি করে।
আমি টাকা দিতে না পারায় আমাকে হঠাৎ শুক্রুবারে আমার স্বামি হেজু ও তার বোন দাইনি এবং তার মেয়ে সহ আমাকে মেরে সমস্ত শরিরে কামড় দিয়ে ক্ষত বিক্ষত করে রক্তে রঞ্জিত করে।
সেখান থেকে এলাকাসি আমার ডাক চিৎকার শুনে আমাকে উদ্ধার ভোলা সদর হাসপাতালের অতিরিক্ত ২ নং ভর্তি করেন।
হাসিনা বেগম জানান, আমি ডাক চিৎকার না দিলে আমাকে মেরে ফেলতো ভাগ্যক্রমে এলাকাবাসির সহযোগিতায় কোন রকম বেচে আসছি।
তিনি জানান, এর আগে কয়েক বার এলাকার চেয়ারম্যান মনছুর আলম ও স্থানীয় ৮ নং ওয়াডের মেম্বের সহ কয়েক বার বিচার করা হলে ও কোন ক্রমে ই আমার উপর নির্যাতন বন্ধ করছেন না।
হাসিনার বাবা আবু তাহের জানান, আমার মেয়ের সুখের জন্য আমি জামাইকে ব্যাবসার জন্য ২ লাখ টাকা দিছি নাতি হওয়ার পর গরু দিছি তার পর এই রকম নির্যাতন হলে আমি কোথায় যাব বাবা আমরা গরিব বলে বিচার কোথায় ও পাব না।
এই বিষয় উত্তর দিঘলদী ৮ নং ওয়াডের মেম্বার বশির আহমেদ জানান,একাধিক বার চেয়ারম্যান সহ আমরা বিচার করে মিল মিশ করে দিয়েছি কিন্তু তার পর এমন হবে এটা খুব দুঃখজনক তিনি বলেন, আমি বিষয়টি চেয়ারম্যান কে জানিয়েছি তিনি বিষয়টি দেখবে বলে জানিয়েছেন।
হেজুর সাথে যোগা যোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগির বাবা তাহের বলেন, আমরা কোটে মামলা করেছি।

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।