ব্রেকিংঃ

ভোলার দৌলতখানে অন্যের পরীক্ষা দিতে আসা ১০ শিক্ষার্থীসহ মাদ্রসার সুপার আটক

দৌলতখান প্রতিনিধি॥ ভোলার দৌলতখান উপজেলায় প্রক্সি (অন্যের পরীক্ষা) দিতে আসা ১০ শিক্ষার্থীসহ মাদ্রসার সুপারকে আটক করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সরকারি আবি আব্দুল্লাহ কলেজের এসএসসি কেন্দ্র থেকে এদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের মধ্যে জয়নগর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. জাকির হোসেনকে দুই বছর ও একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী লিজা আক্তারকে এক বছরের জেল প্রদান করা হয়। বাকীদের বয়স কম হওয়ায় তাদেরকে নিয়মিত মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আটককৃত বাকীরা হলেন লিমা আক্তার, রাবেয়া সুলতানা, ময়না বেগম, হামিদা বেগম, নাজমুন নাহার, বিবি খাদিজা, রুমা আক্তার ও ফারজানা আক্তার। এরা সবাই দৌলতখান উপজেলার জয়নগর বালিকা দাখিল মাদ্রসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এরা একই প্রতিষ্ঠানের অন্য পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নিজেদের ছবি লাগিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছে।
ভোলা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দৌলতখানের সরকারি আবি আব্দুল্লাহ কলেজ কেন্দ্রে দাখিল হাদিস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আতাহার মিয়া, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরীসহ জেলা প্রশাসনের একটি টিম অভিযান চালায়। এসময় ওই কেন্দ্র থেকে ১০ জন ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক করা হয়। এরা সবাই দৌলতখানের জয়নগর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। এরা একই প্রতিষ্ঠানের অন্যের শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নিজেদের ছবি লাগিয়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য এসেছে। এছাড়াও এ কাজের সাথে জড়িত থাকায় ওই মাদ্রাসার সুপার মো. জাকির হোসেনকেও আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এদের মধ্যে সুপার জাকির হোসেনকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও লিজা আক্তারকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। এবং বাকীদের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় তাদেরকে কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।