ব্রেকিংঃ

ভেলুমিয়ায় চেয়ারম্যান পরিবারের উপর অর্তকির্ত সন্ত্রাসী হামলা ও গাঁড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ।।

এম রহমান রুবেল

ভেলুমিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম মাস্টারের পুত্র জেলা যুবলীগ নেতা ও তার পরিবারের উপর অর্তকির্ত সন্ত্রাসী হামলা এবং গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান পুত্র লিটন।

শুক্রুবার ০৭/০১/২২ ইং তারিখ সন্ধ্যায় ভেলুমিয়া বাজার চত্তরে এ ঘটনা ঘটে।
সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার চেয়ারম্যান পুত্র লিটন জানান আমি বাজারে ফল কিনার জন্য গাড়ি দাড় করাইলে কামাল খান গাড়ির সামনে এসে গাড়িটি সরিয়ে নিতে বলে এতে ড্রাইভার অপরাগতা জানালে তার সাথে তর্কা তর্কি হয়।
তার কয়েক মিনিট পরে সন্ত্রাসী কামাল খানের নেতৃত্বে হঠাৎ পিছনের একদল সন্ত্রাসী লাঠি সোডা নিয়ে আমাকে সহ আমার চাচা,দুই বোন ড্রাইভার কে বেধরম মাইর পিট করে জখম করেছে।

এই সন্ত্রাসী হামলায় আমি চেয়ারম্যান পুত্র মনিরুজ্জামান লিটন আমার চাচা পুলিশের হাবিদার অবঃ কাঞ্চন আলী,বোন রাবেয়া,ছালমা বেগম সহ গাঁড়ির ড্রাইভার সহ সকলকে কামাল খানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আমাদের পিটিয়ে জখম করে আহত করে গাঁড়িটি ও অজ্ঞাত ২০ – ৩০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী ভাংচুর করে।

ঘটনায় ভেলুমিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মইনুল হোসেন এসে পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে ভোলা সদর থানার ওসি কে অবগত করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আমাদের উদ্ধার করেন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।
হাসপাতালে আমার চাচাকে আনা হলে তার অবস্থা বেশ গুরতর হওয়ায় তাকে কর্তব্যরত ডাক্তার ঢাকা রেফার করেন।

ঘটনার বিষয় অস্বীকার করে অভিযুক্ত কামাল খান বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান এর ছেলে লিটন তিনি আমাকে গাঁড়ি চাপা দিতে চাইছিল পরে ধাক্কা লেগে পরে গেলে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে।
তাদের উপর কোন হামলা হয়নী।

চেয়ারম্যান জানান,হঠাৎ গাঁড়িতে হামলা এটা দুঃখজনক কারন আমার ছেলের গাঁড়ি তো সবাই চিনে গাঁড়িতে থাকা আমার ভাই ছেলে ও মেয়ে সহ গাড়ির ড্রাইভারকে মারধর করে জখম করেছে।তিনি জানান আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ বিচার দাবি করছি।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এনায়েত হোসেন জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলা নং ১৭/২২ইং মামলাটি এজাহার হয়েছে ০৮/০১/২২ ইং তারিখে।
মামলা হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।