তজুমদ্দিনে গরমে বেড়েছে পানি তালের শাঁসের চাহিদা।

সাইফুল ইসলাম সাকিব:অতিরিক্ত গরমে ভোলার তজুমদ্দিনে বেড়েছে পানির তালের চাহিদা। গরমে তৃপ্তিদায়ক রসালো স্বাদের পানি তাল। প্রতি বছর গ্রীষ্মের মাঝামাঝি বাজারে ওঠে এই রসালো দেশীয় ফল পানি তাল। গ্রীষ্মকালীন এই ফলটিকে ঘিরে গ্রামীণ অর্থনীতি ও রয়েছে কিছুটা সচল । তজুমদ্দিনের বিভিন্ন বাজারে চলতি বছরে ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী দোকানে দেখা মিলে পানি তাল নামক এই ফলটি বৈশাখের শেষ ভাগ থেকে সমগ্র গ্রামের বাজার গুলোতে কম বেশি দেখা মেলে পানি তালের।
তজুমদ্দিনের নিরব ও রফিক নামে দুই পানি তাল বিক্রেতা জানান, উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে পানি তাল সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করছেন তারা। মিজান নামে অপর এক বিক্রেতা জানান, প্রতি পিছ তাল ৫ টাকা করে ক্রয় করে আনতে প্রতি পিছ তালের দাম দাড়ায় ৭ টাকা । পানি তাল আকার বেদে ১০-২০ টাকায় বিক্রি করা হয়। পানি তাল বিক্রি করে সংসার চলছে তার। এভাবে আরো এক মাসের মতো এই তালের শাঁস বিক্রি করতে পারবো।
ক্রেতা সুমন মজুমদার বলেন, এই তাল একটি মৌসুমি ফল। গরমের সময় তালের শাঁস খেলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। যার জন্য নিজে এবং পরিবারের সদস্যরা মিলে খেতে তিন শাঁসের মোট ৬ টি তাল কিনেছি। প্রতি পিস কিনতে হয়েছে ২০ টাকা করে।
মো. শাহিন নামে আরেক ক্রেতা জানান, অনেক গরম। কোনোভাবেই কমছে না এই গরমের তীব্রতা। তাই কিছুটা স্বস্তি পেতে ২০ টাকা দিয়ে তিন শাঁসের একটি তাল কিনেছি। রসালো এই ফল খেলে গরমে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবো।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইব্রাহিম আসাদ বলেন,তাল গাছ বজ্রপাতে ক্ষতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর ফল বহুমুখী উপকারে আসে। তালের শাঁস প্রচণ্ড দাবদাহে প্রশান্তি এনে দেয়। তাই সকলকে এই উপকারী ফল গাছটি লাগানোর জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
