ভোলায় দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।।

স্টাফ রিপোটার।
ভোলা বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসটার্মিনালের পাশে বেপারি বাজারে ব্লাকের তৈল সরানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হয় অর্ধ শতাধিক।
রতনপুরে মান্নান এর ভাই রাজিবের সাথে আলিনগরের নাছির বেপারির ছেলে হান্নানের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এক পর্যায় বিকাল ৫ টা থেকে দফায় দফায় থেমে থেমে রাত ১০ টা পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।
পরে পুলিশ সহ অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশ সদস্য ও আহত হয় বলে জানা যায়।
ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার আলীনগরের ৬ নং ওয়ার্ডের বেপারি বাজার।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় নাছির বেপারির ছেলে হান্নান বেপারি ব্লাকের তেল ট্যাংক থেকে নেওয়ার সময়, দক্ষিণ রতনপুর এর মান্নান মেম্ভারের ভাই রাজিব বিডিও করে ফেলে।পরে একপর্যায় বিডিও কাটার কথা বললে হাতাহাতি ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শুরুর বিকাল ৫ টার সময়,থানা থেকে পুলিশ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে আসার পর আবার ও দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়।
এই দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রায়১৫-২০টা দোকান ভাংচুর হয়।
এক পর্যায় আলীনগর বনাম শিবপুরের মধ্যে ককটেল, বগি দা, ইট পাটকেল দ্বারা দফায় দফায় সংঘর্ষ ও খুব ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
জানা গিয়েছে ঘটনাস্থলে একজন পুলিশ সদস্য ও আহত হয়।
ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম ও আলিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বশির আহমেদ।
যারা জানিয়েছেন যেটা ঘটিয়েছে সেটা দুঃখজনক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়া আর কিছু না।
এ বিষয় ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এনায়েত বলেন ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনা স্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আনেন।তবে আহতদের সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হলে ও কোন পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করে নি।আলীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব বশির উদ্দিন ও শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব জসিম উদ্দিন সঠিক পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে ভাংচুরকৃত দোকান ও আহতকারীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন ওসি এনায়েত হোসেন।
