ব্রেকিংঃ

উত্তর ভোলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবি চেয়ারম্যান বিপ্লব মোল্লাহ”র।।

এম রহমান রুবেল।।

বাপ্তা ইউনিয়নে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডে ৫ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিজ পড়নের কাপড় ছাড়া কোনোকিছুই রক্ষা করতে পারেনী ঘর মালিক।

২৭ ফেব্রুয়ারি( রবিবার) দুপুর আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড খলিফা বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকান্ডের ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাররা জানান, রোববার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ওই বাড়ির নুরুল ইসলাম খলিফার ঘরের বৈদ্যুতিক লাইন থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।
বিদ্যুৎ সর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে সেই আগুন মুহুর্তের মধ্যে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আর মুর্হুর্তেই ছাই হয়ে যায় ৫ বসতভিটা ঘর।

অগ্নিকান্ডে পুড়ে ছাই হওয়া ঘরমালিকগনরা হলো, মো. নুরুল ইসলাম, বিল্লাল, নান্নু মিয়া, স্বপন ও মানিক।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারেরা জানান, মুহুর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে যাওয়ার ফলে নিজ পড়নের কাপড় ছাড়া অন্য কোনোকিছুই আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রক্ষা করতে পারেনী।


ভোলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

এদিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে বাপ্তা ইউনিয়নের জনপ্রিয় (ইউপি) চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ইয়ানুর রহমান বিপ্লব মোল্লা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এবং ক্ষতিগ্রস্তদের শান্তনা দিয়ে বুকে টেনে নেন।
তাৎক্ষণিক তিনি ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে তার নিজস্ব ফান্ড থেকে নগদ ৫ হাজার টাকা করে দিছুটা কষ্ট লাঘব করার চেষ্টা করেছেন।

তিনি উত্তর ভোলার পক্ষ থেকে প্রিয় নেতা জননেতা ২০ লাখ জনতার অভিভাবক জীবন্তকিংবদন্তী সাবেক মন্ত্রী বর্তমান ভোলা সদর আসনের এমপি তোফায়েল আহমেদ মহোদয়ের কাছে উত্তর ভোলায় একটি ফায়ার স্টেশন করার দাবি জানান।
তিনি আরো বলেন, উত্তর ভোলায় আগুন লেগে ঘর বাড়ি পুড়ে গেলেও রাস্তায় জেম থাকায় ঠিকমত আসতে পারে না ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি।আগুন লাগলেও তা নীভানো সম্ভব হয়না। তাই অতি দ্রুত উত্তর ভোলার মানুষের জান মাল রক্ষায় প্রিয় নেতার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই জনতার জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান বিপ্লব মোল্লাহ।

উক্ত ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তৌহিদুল ইসলামকে অবগত করা হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাহায্য করা হবে।

ভোলা ফায়ার সার্ভিসের ইন্সপেক্টর মো. সুমন মিয়া জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়াছে। প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে জানানো হবে বলে জানান কর্মকর্তা।

এদিকে ঘটনার পর ভোলা সদর মডেল থানার (ওসি তদন্ত) মো. আরমান হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।