ব্রেকিংঃ

নৌকার পক্ষে নির্বাচন করেও বহিষ্কার

আসসালামু আলাইকুম,আমি আমির হোসেন বাবুল ২নং ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে থেকে বিগত দিন সুচারুভাবে সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করিয়া আসতেছিলাম,ইতিমধ্যে ৫ম দাফে ইউপি নির্বাচন শুরু হলে আমি নৌকার প্রতীক এর প্রার্থীর পক্ষে জেলা-উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ উঠান বৈঠক ও পথসবা অংশগ্রহণ করে নৌকার প্রার্থীর বিজয়ের কার্যক্রম চালিয়ে যাই,যা ইলিশা বাসি স্বচক্ষে দেখেছেন এখানে গোপনীয়তার কিছু নাই,নির্বাচন শেষের দিকে আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তিন থেকে চারটি প্রোগ্রামে-উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে পারেনি এবং আমাকে প্রোগ্রামের কোন সিডিউল জানানো হয়নি,ইতি মধ্যে নির্বাচন শেষ হয়ে গেল,হঠাৎ গত ১৭-১-২০২২ ইং তারিখে উপজেলা দপ্তর সম্পাদক ইকবাল ভাই একটি চিঠি দেন,উক্ত চিঠিতে আমার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধি বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষ অবলম্বন করেছি বলে দল থেকে আমাকে বহিষ্কার চিঠি দেন,আমি দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ঠা ও সততার শহীদ অংশগ্রহণ করা সত্বেও কেন আমাকে দল এবং পদ থেকে বহিষ্কার করা হল?বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কোন নির্বাচনি প্রোগ্রাম সমাবেশ পথসবায় আমাকে কেউ দেখে থাকে বা বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে যদি কারো কাছে একটি ভোটও চেয়ে থাকি!এমন প্রমান করতে পারে তাহলে আমাকে দল যেই সিদ্ধান্ত নিতো আমি সেটা মাথা পেতে নিতাম,যেখানে আমার রক্তের ভাইদের উপরে এত নির্যাতন রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়েছিল সেখানে আমার দলের দিকনির্দেশনা যেভাবে ছিলো আমি সে ভাবেই কাজ করে গেছি,সেখানে আমি আমার রক্তের সাথে বেইমানি করছি কিন্তু দলের সাথে করিনি আমার ভাই বিদ্রোহী প্রার্থী থাকা সত্বেও আমি দলের স্বার্থে দলের কার্যক্রম চালিয়ে গেছি কিন্তু সেই দল আমাকে ১৭-১-২০২১ আমাকে একটি চিঠির মাধ্যমে উপহার হিসেবে দল এবং পদ থেকে বহিষ্কার করলেন,প্রতিহিংসার কাছে আমার ন্যায়-নীতি পরাজিত,এই দলিয় সিদ্ধান্ত আমার সাথে অন্যায়ের শামিল,যেই নেতার কাছে অন্যায়ের অবিচারের প্রশ্রয় ও ঠাই নেই সেই প্রিয় নেতা ৬৯ গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক আলহাজ্ব জনাব তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয়ের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছি,সেই সাথে প্রিয় নেতার দীর্ঘ আয়ু সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

মো:আমির হোসেন বাবুল,
সাধারণ সম্পাদক ২নং ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
ফোন:০১৭১১১৬২৫৯৪

পিতা:মহরম ফরিদ হোসেন রতন মিয়া
(সাবেক চেয়ারম্যান ২নং ইলিশা ইউনিয়েন পরিশোধ)