ব্রেকিংঃ

ইতিহাস বিকৃতকারী কাদের খানসহ সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ভোলায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন।।

এম রহমান রুবেল।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তরের সহসভাপতি টাইলস ব্যবাসায়ী কাদের খানের মিথ্যা ভিত্তিহীন অসত্য বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও জেলা আ’লীগের সহ সভাপতি দোস্ত মাহমুদ।

এসময় মুক্তিযোদ্ধা দোস্ত মাহমুদ তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কাদের খান তৎকালীন বাকশালের ভোলা জেলার সেক্রেটারি জেনারেল শামসুদ্দিন আহমেদ এবং ভোলার অভিভাবক তোফায়েল আহমেদ সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং অসত্য।

পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন মিয়ার পুত্র দোস্ত মাহমুদ বলেন কারণ ওই রাতে আমার বাবা শামসুদ্দিন মিয়া তোফায়েল আহমেদের বাড়িতে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার খবর পেয়ে তোফায়েল আহমেদ তখন ছটফট করতে থাকেন।


তোফায়েল আহমেদকে গ্রেফতারের পূ্র্ব পর্যন্ত তারা সকলে নজরবন্দি ছিলেন। বাড়ি থেকে কেউ বের হতে পারছিলেন না।

দোস্ত মাহমুদ আরও বলেন, কাদের খান ১৯৭৪-৭৫ সালে ভোলা কলেজের ছাত্র ছিলেন এবং ভিপি পদে নির্বাচন করেছেন। ব্যবসায়ী ইউসুফ জিএস পদে নির্বাচন করেন। অথচ ওই দিন ১৫ আগস্টের শোকগাথা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে কাদের খান অসত্য ও মিথ্যাচার বক্তব্য দিলেন।

তিনি কখনোই ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়েন নি। ঢাকার ছাত্ররাজনীতিতে তার কোন প্রকার সম্পৃক্ততাও ছিলো না। ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাজ বিতরনের বিষয়টিও ছিলো তার বানানো গল্প।

তিনি আদৌ ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না তার উদাহরন হচ্ছে ওই সময় যারা তার সঙ্গে ভোলা কলেজে পড়তেন।
এরা হচ্ছে বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাষক ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল মমিন টুলু (৭৩-৭৪ভিপি ছিলেন),কাদের প্যানেলের জিএস বর্তমান জেলা আ’লীগের সদস্য ঢাকার ব্যবসায়ী ইউসুফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাসস সাংবাদিক মাহাবুবুর আলম নীরব মোল্লা ( কাদের, ইউসুফ প্যানেলের সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন)কাদের খানের সমবয়সী ছিলেন ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোশারেফ হোসেন।

তিনি আরো বলেন,কাদের খানের বাড়ি ভোলার বাংলাবাজারে। তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর ঢাকায় গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।তিনি দুরারোগ্য রোগে অসুস্থ হলে তার চিকিৎসা করার ব্যবস্থও করেন ভোলার অভিভাবক সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
এদিকে হঠাৎ করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রসঙ্গে টেনে এনে তার মিথ্যাচার করে বক্তব্যে রাখার খবর শুনে ভোলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ আমরা হতবাক হই।
ক্ষোভ জানান জেলার সকল পেশার মানুষ। দলের সভানেত্রী সুদৃষ্টি পেতে কাদের খানের এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিজের অবস্থানের জাহির করেন বলেও আমরা মনে করছি।তার এ ধরনের মিথ্যাচারের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।একই সঙ্গে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করার দাবি জানাচ্ছি এবং সাথে তার অসত্য বক্তব্য র বিচার দাবি করছি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা তাদের বক্তব্য আরো বলেন,সঠিক তথ্য তুলে ধরে প্রকৃত তথ্য নিয়ে সঠিক সংবাদ প্রকাশিত হোক।ইতিহাস বিকৃতকারী কাদের খান সহ সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানাচ্ছি।